Posts

আলোর প্রতিফলন কি? আলোর প্রতিফলন কত প্রকার ও কি কি?

Image
প্রতিফলন কথাটা বলতেই আমাদের প্রায় সবার চোখেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার চিত্রটা ভেসে ওঠে কিন্তু মনে রাখতে হবে প্রতিফলন বিষয়টা আরাে অনেক ব্যাপক। যখনই এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে আলােকে পাঠানাে হয়, তখনই আসলে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ঘটনা ঘটে, তার একটি হচ্ছে প্রতিফলন। অন্য দুটি হচ্ছে প্রতিসরণ আর শোষণ। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন। প্রথম মাধ্যম থেকে দ্বিতীয় মাধ্যমে যাবার সময় খানিকটা আলাে আবার প্রথম মাধ্যমেই ফিরে আসে সেটার নাম হচ্ছে প্রতিফলন। খানিকটা আলাে দ্বিতীয় মাধ্যমে ঢুকে যেতে পারে সেটা হচ্ছে প্রতিসরণ। আবার খানিকটা আলাে শােষিত হয়ে যায় সেটার নাম হচ্ছে শােষণ। এই টিটোরিয়ালে আমরা প্রতিফলন এবং পরের টিটোরিয়ালে প্রতিসরণ নিয়ে আলােচনা করব। আগেই বলা হয়েছে আলাে এক ধরনের তরঙ্গ, সাধারণভাবে তরঙ্গের যাওয়ার জন্য মাধ্যমের প্রয়ােজন হয়, (পানি না থাকলে পানির ঢেউটা হবে কোথায়?) কিন্তু আলাের বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন, এটা যেহেতু বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের তরঙ্গ, তাই এটার জন্য কোনাে মাধ্যমের দরকার নেই, আলাে তার বিদ্যুৎ আর চৌম্বক ক্ষেত্র দুটির তরঙ্গ তৈরি করে নিজেরাই চলে যেতে পারে। কাজেই প্রতিফলন বা প্রতিসর...

পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

ফার্মাটের নীতি কি? উত্তরঃ "আলোকরশ্মি এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে যাবার সময় সম্ভাব্য সকল পথের মধ্যে সেই পথ অনুসরণ করে যে পথে সময় সব থেকে কম লাগে।"- এটিই হচ্ছে ফার্মাটের নীতি।

পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র ১০ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

Image
প্রশ্ন-১। আদর্শ গ্যাস কাকে বলে? উত্তরঃ  যে সকল গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েল ও চার্লসের সূত্র মেনে চলে, তাদেরকে আদর্শ গ্যাস বলে। প্রশ্ন-২।  কত সালে রেনো গ্যাসের চাপ তাপমাত্রার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন? উত্তরঃ  ১৮৪২ সালে রেনো গ্যাসের চাপ তাপমাত্রার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন। প্রশ্ন-৩। কে গ্যাসের যৌগিক স্বীকার্যগুলো বর্ণনা করেন? উত্তরঃ  ক্লসিয়াস গ্যাসের যৌগিক স্বীকার্যগুলো বর্ণনা করেন। প্রশ্ন-৪। গ্যাসের ক্ষেত্রে বয়েলের সূত্র বিবৃত কর। উত্তরঃ  স্থির তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের আয়তন এর চাপের ব্যস্তানুপাতিক। প্রশ্ন-৫।  গ্যাস কী? উত্তরঃ  সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে যে সকল পদার্থ বায়বীয় অবস্থায় থাকে তাদের গ্যাস বলে। প্রশ্ন-৬।  পরম তাপমাত্রায় চাপের সূত্র বিবৃত কর। উত্তরঃ  স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ এর পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক। প্রশ্ন-৭।  ক্রান্তি চাপ কাকে বলে? উত্তরঃ  ক্রান্তি তাপমাত্রায় যে চাপ প্রয়োগে গ্যাসকে তরলে পরিণত করা যায় তাকে ক্রান্তি চাপ বলে। প্রশ্ন-৮।  পরম আদ্রতা কাকে বলে? উত্তরঃ  কোনো স্থানে...

ব্রডকাস্ট ও মাল্টিকাস্ট এর মধ্যে পার্থক্য কি?

Image
ব্রডকাস্ট মােডে নেটওয়ার্কের যে কোনাে একটি নােড (যেমন : কম্পিউটার) থেকে ডেটা পাঠানো হলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল নােডই গ্রহণ করে। চিত্রে A নােড থেকে কোনাে ডেটা পাঠানো হলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নােডই (B, C, D ও E কম্পিউটার) গ্রহণ করবে। অপরদিকে, মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতই। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, মাল্টিকাস্ট মােডে নেটওয়ার্কের কোনাে একটি নােড থেকে ডেটা পাঠানো হলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নােড গ্রহণ করতে পারে না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে অথবা, যে সকল নােডকে অনুমতি দেয়া হবে তারা শুধু গ্রহণ করতে পারে।

গলন ও গলনাঙ্ক কী?

কোন পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়াকে গলন বলে। কোন পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এসে কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হতে শুরু করে। এ নির্দিষ্ট তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে যার নাম গলনাঙ্ক। যেমন : বরফের গলনাঙ্ক ০° সে. লোহার গলাঙ্ক ১৫৩৫° সে.। উদাহরণ : একটি পরীক্ষাগারে কিছু মোম নিয়ে তাতে একটি থার্মোমিটার রাখলে থার্মোমিটারে দেখা যাবে মোমের তাপমাত্রা কক্ষ তাপমাত্রার সমান। এবার একটা বীকারে কিছু পানি নিয়ে থার্মোমিটারসহ টেস্টটিউবটি বীকারের পানিতে ডুবিয়ে বার্নারের সাহায্যে বীকারে তাপ প্রয়োগ করলে দেখা যাবে যে, থার্মোমিটারে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে একটা নির্দিষ্টমানে পৌঁছার পর দেখা যাবে মোম গলতে শুরু করেছে। মোম গলতে শুরু করার পর যতই তাপ প্রয়োগ করা হোক না কেন থার্মোমিটারের তাপমাত্রা আর বাড়বে না। টেস্টটিউবের সমস্ত মোম গলে না যাওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। এ নির্দিষ্ট তাপমাত্রাই মোমের গলনাঙ্ক।

বাংলা ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা।

ধ্বনি কাকে বলে? উত্তরঃ মানুষের বাগ্যন্ত্রের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ (যেমন—কণ্ঠনালি, জিব, তালু, দাঁত ইত্যাদির) সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলে। বর্ণ কী? উত্তরঃ বাগ্যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিটি ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলে। স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ কাকে বলে? উত্তরঃ যে সব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে সেগুলোকে স্বরবর্ণ বলে। যেমন : অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি। আর যে সব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। যেমন : ক + অ = ক, খ + অ = খ, গ + অ = গ ইত্যাদি। বর্ণমালা কাকে বলে? উত্তরঃ যেকোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সেই ভাষার বর্ণমালা বলে। শব্দ কাকে বলে? উত্তরঃ এক বা একাধিক অর্থবোধক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত সমষ্টিকেই মূলত শব্দ বলে। যেমন– বক, বল, বই, কলম, ছাতা ইত্যাদি। প্রাতিপদিক কাকে বলে? উত্তরঃ বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। প্রকৃতি ও প্রত্যয় কাকে বলে? উত্তরঃ কোনো শব্দের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। আর শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে...

ক্যাপাসিটর (Capacitor) কি? ক্যাপাসিটরের একক কি?

ক্যাপাসিটর (Capacitor)  একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো ধারক। ক্যাপাসিটর মূলত একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ যা দুটি পরিবাহী পাতের মাঝে একটি ডাই-ইলেক্ট্রিক অপরিবাহী পদার্থ নিয়ে গঠিত। এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি যন্ত্রাংশ। ক্যাপাসিটরের এস আই একক  ফ্যারাড (F)। ফ্যারাড অনেক বড় হওয়ার কারণে একে প্রয়োজন মতো  মাইক্রোফ্যারাড  (µF),  পিকো-ফ্যারাড  (PF) এবং  ন্যানো ফ্যারাড  (nF) দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।